ঢাকাশনিবার, ৩রা ডিসেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, সন্ধ্যা ৭:৪১

‘যে কেউ পানিতে ডুবে যেতে পারি, সবাই মিলে প্রতিরোধ করি’

নিজস্ব প্রতিবেদক
জুলাই ২৫, ২০২২ ৬:৪৫ অপরাহ্ণ
পঠিত: 199 বার
Link Copied!

‘যে কেউ পানিতে ডুবে যেতে পারি, সবাই মিলে প্রতিরোধ করি’ এ শ্লোগানকে সামনে রেখে সোমবার (২৫ জুলাই) পালিত হচ্ছে বিশ্ব পানিতে ডুবা প্রতিরোধ দিবস।

দিবসটি উপলক্ষে সেন্টার ফর ইনজুরি প্রিভেনশন অ্যান্ড রিসার্চ বাংলাদেশ (সিআইপিআরবি) এর সহযোগিতায় বরগুনার বেতাগীতে নানা কর্মসূচির আয়োজন করে ন্যাশনাল চিল্ড্রেন টাস্ক ফোর্স (এনসিটিএফ)।

সকাল ১০ টায় বেতাগী মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে দিনব্যাপী আয়োজনের উদ্বোধন করেন বেতাগী পৌরসভার মেয়র এবিএম গোলাম কবির।

বেতাগী এনসিটিএফ সভাপতি মো. খাইরুল ইসলাম মুন্নার সঞ্চালনায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সুহৃদ সালেহীন।

প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মাকসুদুর রহমান ফোরকান।

বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সহিদুর রহমান, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মিজানুর রহমান খান, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা আফরোজা সুলতানা, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম পিন্টু, পৌরসভার প্যানেল মেয়র এবিএম মাসুদুর রহমান খান, প্রেসক্লাবের সভাপতি সাইদুল ইসলাম মন্টু প্রমুখ।

এছাড়াও সিআইপিআরবি ফিল্ড টিম ম্যানেজার মোতাহের হোসাইন ও বেতাগী এরিয়া কোঅর্ডিনেটর ইভা নাসরিনসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে জাতিসংঘ ঘোষিত ২৫ জুলাই বিশ্ব পানিতে ডুবা প্রতিরোধ দিবসের সচিত্র উপস্থাপনার মাধ্যমে পানিতে ডুবে মৃত্যুর বর্তমান ভয়াবহ চিত্র ও এ থেকে উত্তরনের বিভিন্ন পদক্ষেপ সম্পর্কে অবগত করা হয়। এছাড়াও দিনব্যাপী আয়োজনে আলোচনা সভা, উপস্থিত বক্তৃতা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, চিত্রাঙ্কন সহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

সিআইপিআরবি জানায়, পানিতে ডুবা প্রতিরোধে বেতাগী পৌরসভা সহ উপজেলার ৭টি ইউনিয়নে ১১৯টি আঁচল কেন্দ্র ও ৯টি সাঁতার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পরিচালনা করছেন তারা।

উল্লেখ্য, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যমতে, প্রতিবছর সারাবিশ্বে ৩ লাখ ৫৯ হাজার ৪০০ মানুষ পানিতে ডুবে মারা যায়। এর মধ্যে ২০ শতাংশের বয়স পাঁচ বছরের কম। বাংলাদেশে ১ থেকে ৪ বছর বয়সি শিশুদের মোট মৃত্যুর ৬৭ শতাংশের জন্য দায়ী পানিতে ডুবা। পানিতে ডুবে মৃত্যুর ১০ ভাগের এক ভাগ ঘটে নৌদুর্ঘটনায়। এছাড়াও ইউনিসেফের তথ্যানুযায়ী, বাংলাদেশে প্রতিবছর গড়ে ১৭ হাজার শিশু পানিতে ডুবে মারা যায়। মৃত্যুর এ সংখ্যা বিশ্বে সর্বোচ্চ।

সংশ্লিষ্ট গবেষণা থেকে জানা যায়, ১ থেকে ৫ বছর বয়সিদের জন্য ‘শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র’ পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যু রোধ করতে পারে ৮২ শতাংশ। অন্যদিকে ৬ থেকে ১০ বছর বয়সি শিশুদের সাঁতার শিখিয়ে তা প্রতিরোধ করা যায় ৯৬ শতাংশ। পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যু রোধে এ দুই উদ্যোগকে স্বীকৃতি দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। আর ২৫ জুলাইকে বিশ্ব পানিতে ডুবে মৃত্যু প্রতিরোধ দিবস ঘোষণা করেছে জাতিসংঘ। দিবসটির জন্য যৌথ উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ও আয়ারল্যান্ড। সমর্থন দিয়েছে জাতিসংঘের ৭৯টি সদস্যরাষ্ট্র।

অপু

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।