ঢাকাবৃহস্পতিবার, ১১ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, সকাল ৮:৫৭

বরগুনায় লটারির নামে নিম্নমানের পন্য সামগ্রী বিক্রি

নিজস্ব প্রতিনিধি
এপ্রিল ৭, ২০২২ ৯:০৯ অপরাহ্ণ
পঠিত: 204 বার
Link Copied!

বরগুনায় স্মার্ট ইলেকট্রনিক্স গ্যালারী নামে একটি প্রতিষ্ঠান লটারির নাম করে নিম্নমানের পন্য সামগ্রী বিক্রি করে সাধারণ মানুষের সাথে প্রতারণা করছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, বরগুনা সদর উপজেলার গৌরীচন্না ইউনিয়নের নতুন বাসস্ট্যান্ডের দক্ষিণ পাশে আ. রশিদ এর বাসা ভাড়া নিয়ে এই সমস্ত প্রতারণার কার্যক্রম করছেন প্রতারণা চক্র মো. আরিফুল ইসলামসহ ৮/১০ জন কর্মীরা। তারা বরিশাল কাউনিয়া থানার বাসিন্দা।

তারা ৮.৫ সেফট্রি ফ্রিজ, অটো সিঙ্গেল গ্যাসের চুলা, ৭পিচ সুপ সেট, চা ফ্লাক্স, ২৭পিচ ডিনার সেট, অটো ডাবল গ্যাসের চুলা, ২৪” ইঞ্চি এলইডি টিভি, ২২লিটার ফিল্টার, ৭পিচ সুপ সেট, প্রিন্টার ফ্লাক্স, বাটন মোবাইল, আয়রন, বেবী সাইকেল, ইলেকট্রিক সেলাই মেশিন, ২২ লিটার ফিল্টার, হাইস্পিড ফ্যান, প্রিন্টার ফ্লাক্স, ১.৫ লিটার রাইস কুকার, পানির পট, অটো সিঙ্গেল গ্যাসের চুলা, চামচ সেট, ফ্লাক্স, ৪ আনা স্বর্নের কানের দুল, ৫.৫ লিটার প্রেসার কুকার, ফ্লাক্স, সাউন্ড স্পিকার, হাফ ঘোরা পানির মটরসহ বিভিন্ন ধরনের নিম্নমানের পন্য সামগ্রিই দিয়েই চালাচ্ছে প্রতারণার বানিজ্য। তাদের কাছে ভাউচার, ট্রেড লাইসেন্স ও ইনকাম ট্যাক্স (টিন) সার্টিফিকেট দেখতে চাইলে তারা তা দেখাতেও ব্যার্থ হয়।

স্থানীয় ফরিদ, টিপু, নান্টুসহ বিভিন্ন এলাকার একাধিক ভুক্তভোগী বলেন, গ্রাম অঞ্চলে গিয়ে ১০০ টাকা লটারি টিকিট বিক্রি করছে। টিকিট ঘসে যে পন্য পায় তা ১৬০০ টাকা দিয়ে কিনতে হয়। ব্যান্ডের পন্য না দিয়ে কমদামি নিম্নমানের পন্য জনসাধারণ কে দিচ্ছে তারা। কিছু দিন পরেই সেই পন্যগুলো ব্যবহারের অনুপোযোগী হয়। অনেকে পন্য ছাড়াতে এসে কম দামের হওয়ায় রেগে গিয়ে পন্য সামগ্রী না নিয়ে চলে যায়! ফলে পন্য টা তাদের অফিসে থেকে যায়! অপর দিকে ভুক্তভোগীর টিকিট ও আসা-যাওয়ার টাকাটা পকেট থেকে ফাঁকা হয়ে যায়! এতে সাধারণ মানুষ ঠকছে। এভাবেই তারা নগদ অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে।

লটারি কিনে পন্য নিতে এসে নাম গোপন রেখে এক নারী বলেন, আগে বুঝতাম যে এতো নিম্নমানের মালামাল দিবে তাহলে লটারি কিনতাম না! আমি ছাড়াও অনেক নারী পুরুষ এভাবে ফিরে যাচ্ছে! আমার স্বামী যদি শুনতে পারে তাহলে আমার উপরে অনেক রেগে যাবে!

স্মার্ট ইলেকট্রনিক্স গ্যালারী’র মো. আরিফুল ইসলামকে মুঠোফোনে জনসাধারণের প্রতারণা ও নিম্নমানের পন্য সামগ্রিইর বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, আমি প্রতারণা করছি না! আমার কাছে সরকারি সকল অনুমতি আছে, সেই অনুমতি নিয়ে এ ব্যাবসা করতেছি। এবং আমি সবাইকে ভালোমানের পন্য সামগ্রিই দিচ্ছি।

ভোক্তা অধিকারের সহকারী পরিচালক বিপুল চন্দ্র বলেন, আমরা লিখিত অভিযোগ পেলে খতিয়ে দেখবো তারা জেলা প্রশাসকের কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে এ ব্যাবসা করছে কিনা। এবং আমাদের ভোক্তা অধিকারের আওতায় আছে কি না। যদি না থাকে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আমরা আইনত ব্যবস্থা নিবো।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।