ঢাকাশনিবার, ৩রা ডিসেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, বিকাল ৫:৫৩

দাঁত দেখে ধর্ষণের আলামত পরিক্ষা, অভিযোগ কিশোরীর

নিজস্ব প্রতিনিধি
জুন ১৪, ২০২২ ৬:২১ অপরাহ্ণ
পঠিত: 295 বার
Link Copied!

বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের সহকারী সার্জন ফারহানা ইয়াসমিন লিয়ার বিরুদ্ধে ধর্ষণের শিকার এক কিশোরীর ডাক্তারি পরীক্ষা না করেই প্রতিবেদন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

সোমবার (১৩ জুন) বরগুনা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ করেছেন ওই কিশোরী। ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. হাফিজুর রহমান মামলাটি এজাহার হিসেবে গ্রহণের জন্য আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিয়েছেন।

এর আগে ১৯ মে ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে আমতলীর কলাগাছিয়া এলাকার ফারুক হাওলাদারের ছেলে রুবেল হাওলাদারের বিরুদ্ধে বরগুনা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে একটি ধর্ষণ মামলা করেন। ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. হাফিজুর রহমান ভুক্তভোগীকে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ককে নির্দেশ দেন।

২২ মে ভুক্তভোগী কিশোরী বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে যান। তাকে শনাক্ত করেন আইনজীবী তানজিবুল হোসাইন সুজন। তার ডাক্তারি পরীক্ষা করেন হাসপাতালের সহকারী সার্জন ফারহানা ইয়াসমিন লিয়া। ১১ জুন ট্রাইব্যুনালে কিশোরী ডাক্তারি পরীক্ষার প্রতিবেদন দেন। তবে প্রতিবেদনে তার শরীরে ধর্ষণের চিহ্ন পাওয়া যায়নি বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

কিশোরী বলেন, ১২ মে রাতে রুবেল আমাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এতে আমি অসুস্থ হয়ে পড়ি এবং প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়। কিন্তু ডাক্তার ধর্ষণের আলামতের কোনো পরীক্ষা করেননি। শুধুমাত্র মুখের দাঁত দেখে ও শেষ মাসিক কবে হয়েছে জেনে বাড়ি পাঠিয়ে দিয়েছেন।

কিশোরীর অভিযোগ, ধর্ষণের আলামত পরীক্ষা না করে ২০ দিন পর আদালতে রিপোর্ট দিয়েছেন ডাক্তার লিয়া। রিপোর্টে তার সতীচ্ছেদ অক্ষত আছে বলে জানান তিনি। কিশোরী বরিশালে পুনরায় নিজের ডাক্তারি পরীক্ষার দাবি জানিয়েছেন।

কিশোরীর বাবা অভিযোগ করে বলেন, বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক সোহরাব উদ্দীন ও সহকারী সার্জন ফারহানা ইয়াসমিন লিয়া রুবেলের কাছ থেকে সুবিধা নিয়ে আমার মেয়েকে ধর্ষণের পরীক্ষা না করেই মিথ্যা রিপোর্ট দিয়েছেন।

বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের সহকারী সার্জন ফারহানা ইয়াসমিন লিয়া বলেন, সঠিকভাবে পরীক্ষা করেছি। যা পেয়েছি রিপোর্টে সেটাই লিখেছি।

বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক সোহরাব উদ্দীন বলেন, ধর্ষণের আলামত পাওয়া যায়নি মানে ধর্ষণ হয়নি এটা ঠিক নয়। ডাক্তার যখন পরীক্ষা করেছেন তখন ধর্ষণের আলামতের চিহ্ন পায়নি। সতীচ্ছেদ অক্ষত থাকলেও ধর্ষণ হয়। তদন্তকারী কর্মকর্তা প্রয়োজনে অন্যত্র ধর্ষণের পরীক্ষা করাতে পারেন।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।