ঢাকামঙ্গলবার, ৬ই ডিসেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, রাত ৯:০৮

‘আমার বাবারে আইন্না দেন’

আমতলী প্রতিনিধি
সেপ্টেম্বর ২২, ২০২২ ২:৩১ পূর্বাহ্ণ
পঠিত: 106 বার
Link Copied!

‘আমার বাবারে আইন্না দেন। বাবার মুখটা একবার দেখান। বাবার সাথে কথা না বললে ঘুম আসে না।’

বুধবার (২১ সেপ্টেম্বর) এভাবেই কেঁদে কেঁদে বুক ভাসাচ্ছিল বরগুনার আমতলী উপজেলার সৌদি প্রবাসী আউয়াল হাওলাদারের ষষ্ঠ শ্রেণী পড়ুয়া ছেলে আরিফ। নির্বাক হয়ে বসে আছেন চতুর্থ শ্রেনী পড়ুয়া মেয়ে মরিয়া ও প্রথশ শ্রেনী পড়ুয়া কারিমা।

আরিফ বলেন, কয়েক দিন বাবা ফোন দেয় না। মানুষ বলে আমার বাবা নাকি মারা গেছে। আমার বাবা মরে নাই। যদি মইরা যাইত তাইলে লাশ বাড়িত আনতে এত দেরি লাগে ক্যান?

স্বজনরা জানান, গত এক বছর আগে জীবিকার তাগিদে সৌদি আরব যান আমতলীর চাওড়া ইউনিয়নের কাউনিয়া গ্রামের খোরশেদ হাওলাদারের ছেলে আউয়াল হাওলাদার (৩৫)। সেখানে কাজও শুরু করেন তিনি। কিন্তু গত ১০ সেপ্টেম্বর হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান আউয়াল। তার লাশ এখনও সৌদি
আরবে। টাকার অভাবে দেশে আনতে পারছেনা পরিবার।

এদিকে পরিবারের উপার্জনক্ষম একমাত্র ব্যক্তির মৃত্যুতে তিন সন্তানকে সাথে নিয়ে স্বামীর ছবি হাতে কেঁদে কেঁদে দিনাতিপাত করছেন আউয়ালের স্ত্রী খাদিজা।

সৌদিতে স্বামীর সহকর্মীদের বরাত দিয়ে খাদিজা জানান, আউয়ালের লাশ সৌ আরবের আল কাসিম জেলার গুরাইদার মারগাজী হাসপাতালে রয়েছে।

আউয়ালের বাবা খোরশেদ বলেন, এক বছর আগে আমার ছেলে বিদেশে গেছে। কিন্তু বছর না যেতেই ছেলেটা স্টোক করে মারা গেলো। ওর লাশটা পাইলেও কিছু সান্তনা পাইতাম। আমার ছেলের লাশ দেশে আনার জন্য সরকারের সহযোগিতা চাই।

আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) এসএম সাদিক তানভীর বলেন, প্রশাসনের পক্ষ থেকে অসহায় পরিবারটিকে সকল প্রকার সহযোগিতা করা হবে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।