ঢাকাবৃহস্পতিবার, ১১ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, সকাল ৭:৩৯

আমার আধুনিক বা উত্তরাধুনিক কবিতার ভাবনা চিন্তা

অনিমা রানী রায়
এপ্রিল ১১, ২০২২ ১২:০৯ পূর্বাহ্ণ
পঠিত: 265 বার
Link Copied!

যদি স্যাটায়ার কবি সোহেল অমিতাভের কথায় বলি তবে ‘যা মানুষ ও উটের পিঠে বোঝার মত ঝুলে থাকে তাই কবিতা।’ বা উত্তরাধুনিকদের ভাবনাচিন্তার কবি সঞ্জীব পুরোহিতের ভাবনায় ‘চোখের চর্বি সরিয়ে কিছু দেখার নামই কবিতা।’

কবিতার সংজ্ঞায়ন সম্ভবত সাহিত্যে এযাবতকালের সবচেয়ে আলোচিত এবং একই সাথে পাশকাটিয়ে ফেরা উত্তরগুলোর অন্যতম। যদিও চর্যাপদ থেকে শুরু করে রবীন্দ্রসময় কিংবা রবীন্দ্রোত্তর থেকে আজ পর্যন্ত কালে কালে যে পরিমাণ কবিতা আমাদের মুগ্ধ করেছে তা সংখ্যাতত্ত্বের হিসেবের বাইরে। অথচ আশ্চর্যজনকভাবে কবিতা কেমন হতে হবে, সেক্ষেত্রে লাইন কিংবা প্যাটার্নবাচক কি কি ভিন্নতা থাকবে, কিভাবে লিখতে হবে কালে ভাদ্রে এসব সদুপদেশ অনেককেই দিতে দেখা যায়। যদিও কবি ও কবিতার ক্ষেত্রে ব্যাকরণগত কোন বাঁধাধরা নিয়ম নেই। যেমন আপনাকে পাঞ্জাবীই পড়তে হবে, খোঁচা খোঁচা দাড়ি সাথে ঝোলাব্যাগ আবশ্যক এমন কোন দায় সাহিত্য আপনাকে দেয়নি। মুখভর্তি দাড়ি দূরে থাক, আপনার টাকমাথা হলেও আপনি কবিতা লিখতে সক্ষম, বিশ্বাস করুন। এক্ষেত্রে নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর ‘কবিতার ক্লাস’ বইটা আপনার মনস্তাত্ত্বিক ব্যায়ামের জন্য পড়ে ফেলতে পারেন। মূল কথায় আসি, আপনি যা লিখছেন সেটাই কবিতা, যা বলছেন সেটাই কবিতা। তবে চিলির কবি নিকানোর পাররার এর সুরে বলতে চাই, একটাই শর্ত—‘আপনার কবিতা যেন একটা সাদা পৃষ্ঠার থেকে উত্তম হয়’। যেহেতু কবিতা কোন ভুঁইফোঁড় শিল্প নয়। এর শুরু এবং চলমান প্রক্রিয়া এতটাই সমৃদ্ধ যে আপনি গোটা দুনিয়াকেই কবিতা ভাবতে পারেন আবার এই বলে ছুঁড়ে ফেলতে পারেন- পৃথিবী ধ্বংস হবে ভালোবাসা আর কবিতার অভাবে।

আধুনিক কবিতার কথা বলতে গেলে চলে আসে পঞ্চপান্ডবের নাম এবং প্রকৃতর্থেই। অমিয় চক্রবর্তী, বুদ্ধদেব বসু, বিষ্ণু দে, জীবনানন্দ দাশ এবং সুধীন্দ্রনাথ দত্ত। সাহিত্যে রবীন্দ্র প্রভাবের বাইরে তারা এনেছিলেন ভিন্ন এবং গ্রহনীয় পরিবর্তন। একথা অস্বীকার করা কঠিন। একজন জীবনানন্দ দাশকে আজ আধুনিক কবিতার শ্রেষ্ঠতম কবি বলে গন্য করা হয়, যদিও তার সময়ে আলোচনাখরা বা সমালোচনাতেই বেশি ভুগেছেন। মানুষ তাকে গ্রহণ করেছে এবং বলাই বাহুল্য যথার্থ যোগ্যতাবলেই। পরবর্তিতে শামসুর রাহমান, রুদ্র মুহাম্মাদ শহীদুল্লাহ, আব্দুল মান্নান সৈয়দ, হুমায়ুন আজাদ, আবুল হাসান, নির্মলেন্দু গুনেরা কবিতাকে তুলে ধরেছেন। তবে সবচেয়ে বড় প্রশ্নটা এই সময়কে ঘিরে। এরপর আমরা আদৌ কোন কবি পেয়েছি কি না বা কেমন চলছে কবিতার আগামী? এই সময়ে যারা লিখছেন সঠিক হিসেব হলে হয়তো আমরা পরিণত কবি পাবো জনাদশেক, হয়তো পঁচিশের আশেপাশে সম্ভাবনাময়। কিন্তু টিকে থাকা? সে অন্য হিসেব।

অথচ আমরা বলি—কবির কোন দেশ নেই। এখানে না আছে কাঁটাতার কিংবা আপনার ‘হল্ট’ শুনে দাঁড়িয়ে যাবার তাড়না। তাহলে আপনি এই দ্বি-মুখিতা নিয়ে কোথায় দাড়াচ্ছেন? অনুবাদ সাহিত্য দেখলে তারা নাক কুঁচকান, তবে আপনার নিজস্ব ভাবনা-বেদনা-গবেষণা-সময় পর্যালোচনা লিখে আপনি ঘরের কোন কোণাতে রাখতে চান যা অন্য কেউ নিজের বলে দাবি করতে সক্ষম নয়? আপনার দুঃখবোধ যদি সীমান্ত পেরোতে নাই পারলো, আপনার উচ্চারণ যদি পৃথিবীর শেষপ্রান্তের একজন মানুষের শ্লোগান হয়ে উঠতে না পারলো তাহলে এই কুপমন্ডকতার দায় সাহিত্য কেন নেবে?
এখন কেউ কেউ কবিতা নিয়ে নিরীক্ষা করছেন, কেউ গতানুগতিক আধুনিকতায় থাকতে চাইছেন, খুব নগণ্য সংখ্যক লিখছেন ত্রিশের দশকের ভাবমুর্তি নিয়েই আর কেউ কেউ আরেক কাঠি সরেস—আদতে অদ্ভুত অথচ স্বতন্ত্রধারা বলে লিখে চলেছেন। আমি অবশ্য তাদের সফলতাই কামনা করি। তবে আপনি যখন বলছেন, ‘কবির কোন দেশ নেই’ তখনই হয়তো ভুলে যাচ্ছেন আপনি বলছেন কবিতার সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ণ কথাটা। সেটা কবিতার বিশ্বায়ন। একটা নির্দিষ্ট সময়কালের উপর নয়, একটা ধারাকে কেন্দ্র করে লেখাও নয়। যদিও সময়কে ধারণ করবার মতো যথেষ্ট উপজীব্য সবসময় সহজলভ্যও নয়। যেমনটা স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের সময়ে হেলাল হাফিজ লিখেছিলেন ‘এখন যৌবন যার, যুদ্ধে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়’। এই লাইনটা একই সাথে আপনাকে দুটো পথ দেখাবে। এক, সেই সময়টাকে তুলে ধরা। এবং দুই, সেই সময়টাকে তুলে ধরলেও বলা হয়ে যায় সমগ্র পৃথিবীর কথাই। পৃথিবীর যেকোন দেশ, যেকোন জাতি বলতে পারে সেই লাইনটি। দেশ, মানুষ নির্বিশেষে সেই লাইনটা তাদের, সবার— কবিতার বিশ্বায়নের চমৎকার একটি উদাহরণ হতে পারে বৈকি। কবিতা যখন সকলের হয়ে ওঠে তখন তা কথা বলে সহসাই। অর্থ উদ্ধারের আগেই কবিতাসুখ বলে যে ব্যাপারটা আছে সেটা অনুধাবন করা জরুরী। কবি ইলিয়টের মতো করেই বলি -‘কবিতা সেটাই যা তোমার বুঝে উঠবার আগেই আলাপচারিতা সেরে নেয়’। যখন মানুষের আত্মাকে ছুঁয়ে দেবার ক্ষমতা কবিতার আছে। বস্তুত, প্রতিটা আত্মাই এক একটি কবিতা।

কুড়ি শতকের প্রথম দশকে শব্দশিল্পের ডিএনএ-কে আমরা আসলে কোথায় নিয়ে যাচ্ছি কিংবা বলা ভালো কোথায় দেখতে চাই? ইদানিং ভাষাগত ব্যবহারে কিছু বৈচিত্রতা বেশ লক্ষণীয়। সেটাও ভুতপুর্ব সময়েও ছিল। বঙ্কিম, শরৎ, রবীন্দ্রনাথেরা অভিজাত ভাষা হিসেবে সাধুরীতিকেই বেছে নিয়েছিলেন। পরবর্তীতে প্রমথ চৌধুরী এনেছিলেন ভাষায় প্রাঞ্জলতার ব্যাখ্যা। ‘সহজ কথা যায় না বলা সহজে’ এই ভাবগভীর লাইনগুলোও যে সরল ভাষায় লেখা যায় আমরা দেখেছি। দিনে দিনে সাধুরীতি বিলুপ্ত হয়ে গেছে। আমরা লিখছি মানুষের কাছে সহজবোধ্য চলিতরীতিতে। যেহেতু কবিতা চিরকালই মানুষের জন্য। যে কবিতা বোধগম্যতা পেল না, তার সার্থকতা আমরা কিভাবে ব্যাখ্যা করি। তবে বিপরীত দিকও আছে। যেটা সম্পর্কে আগে একবার বলেছি। সুখপাঠ্যতা, বুঝে ওঠার আগেই প্যারানরমাল শক খাবার মতো ব্যাপারস্যাপার। দুটোই সার্থক। তবে এই সময়ে কিছু কবি লিখছেন প্রচলিত চলিতেরও বাইরে, আমি বরং তাদের এই বলে শুভকামনা জানাতে চাই- এই অদ্ভুত ভাষাগুলো যদি কখনও জায়গা নিতে পারে সে সাহিত্যেরই লাভ, যদিও বিকৃতি বলে একটা প্রশ্ন থাকছেই। সবকিছুর পরেও একটা আশঙ্কা কাজ করে এই সময়ে কবিতাকে তুলে ধরবেন কে বা কারা কিংবা তেমন কাউকে আমরা সত্যিই পাচ্ছি কি না। যদিও কালে কালে এই মধুর আশঙ্কাই জন্ম দিয়েছে সেই সময়ের নক্ষত্রের। প্রতিষ্ঠিত সত্য আর সম্ভাব্য সত্যের মধ্যে একটা সাংঘর্ষিক জায়গা চিরকালই ছিল। এখানে পারস্যের কবি রুমির মতো বলা যায়-‘কবিতা মাত্রই বিপদজনক, বিশেষত সুন্দর কবিতা। কারন এটা আপনাকে সেই ভ্রমের ভেতর নিয়ে যাবে যেটা আপনি কল্পনা করেন আদতে সম্ভাব্য’।

প্রথাগত এবং প্রথাবিরুদ্ধ দুটো ধারাই চিরকাল পাশিপাশিই চলেছে। তবে প্রথাবিরুদ্ধ কিংবা প্রচলিত ধারার বাইরের অনেক চিন্তাই সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছে আবার এক পায়ে দাঁড়ানো টেবিলের মতো মুখ থুবড়েও পড়েছে। আবার ভাষার ক্রমবিবর্তনের ফলে সেগুলো যথেষ্ট হাস্যরসেরও জন্ম দিয়েছে। ইদানিংকালে বিতিকিচ্ছিরি ভাষার যে লেখাগুলো আমরা বমিরোধে আবার গিলে ফেলছি ভাবনার বিষয় এই যে, আমরা বমিটাকেই খাদ্যের তালিকায় দেখবো নাকি সেগুলো রয়ে যাবে তার আদিনামেই? কিন্তু সামাজিক কিন্তু শব্দচয়ন অর্থে অশ্লীল কবিতা বরং ভবিষত্যের কাছেই রেখে দিলাম। একজন প্রকৃতকবি স্বভাবতই বিনয়ী হন, তিনি অগ্রজদের যথার্থতা মেনে নেন। সমালোচনার জায়গাটুকু সাবধানে কাঁটাচামচে তুলে আনেন। তার পদক্ষেপ যেমন ভারি তেমনি রসবোধ কিংবা শিল্পের জায়গাটুকু। মূলত, একজন কবি ততটুকুই বিনয়ী হন, যতটা মহৎ তার সৃষ্টি। এখানেও ব্যাতিক্রম আছে। একবার আর্নেস্ট হেমিংওয়ের কাছে এক তরুন লেখক তার নিজের লেখা দেখাতে এলো। হেমিংওয়ে পুরোটা না পড়ে কোনরকম উল্টেপাল্টে দেখেই বললেন ‘বাজে লেখা’। তরুন লেখক অবাক, হেমিংওয়ে বললেন আমি যেহেতু একজন লেখক, আমি নিশ্চয়ই আরেকজন লেখকের লেখাকে ভালো বলবো না! তিনি মজা করেই বলেন কিংবা তার নিজস্ব দর্শন অনুসারেই বলেন তাকে কিন্তু আমি কিছু বলতে যাচ্ছি না কারন তিনি ‘আর্নেস্ট হেমিংওয়ে’! হুমায়ুন আজাদ তার সময়কালে রবীন্দ্রনাথকে গরু, গাধা বলেছেন। তাকে তিনি নিতান্তই গদ্যলেখক ব্যতিত আর কিছু বলতে নারাজ। তিনি হুমায়ুন আহমেদের এতবেশি সংখ্যক লেখা দেখে বলেছিলেন—‘ইতর প্রাণীরাই একসাথে এতগুলো বাচ্চা প্রসব করে’। সেসব নিঃসন্দেহে সাহিত্যপ্রেমীদের মনে আঘাত লাগার যোগ্য। তবুও হুমায়ুন আজাদের কথাগুলোকে আমি ধৃষ্টতা বলিনি এই কারনে যে, তিনি নিজে যা দিয়ে গেছেন সেগুলোও ফেলনা নয়। আমরা বরং এটাকে একগুয়েমি বলতে পারি। যেমনটা সাম্প্রতিক সময়ের অনেক ট্যাগ লাগা কিংবা উঠতি কবিদের মাঝে দেখা যায়। তারা শামসুর রাহমান, জীবনানন্দ দাশকে নিয়ে উচ্চবাচ্চ করেন যদিও নিজেদের হাড়িতে ‘ভাড়ে মা ভবানি’ । আমি আপাতত এটাকে ধৃষ্টতাই বলবো যতদিন না তারা সাহিত্যকে দিয়ে যাবার মতো কিছু করে দেখাচ্ছেন।

বিশ্বসাহিত্য নিয়ে কিছু কথা বলা যাক। এই সময়ে যারা লিখছেন অনেকেই ধারণা করেন বিদেশী সাহিত্য নিয়ে ব্যস্ত হবার কিছু নেই। ভিনদেশী তকমা লাগিয়ে বরং তারা দূরে রাখতে চান কিটস, ফ্রস্ট, নেরুদাদের। ঘরকুনো ব্যাঙদের মতো তাদের সরল জীবনযাপন! অথচ আমরা বলি—কবির কোন দেশ নেই। এখানে না আছে কাঁটাতার কিংবা আপনার ‘হল্ট’ শুনে দাঁড়িয়ে যাবার তাড়না। তাহলে আপনি এই দ্বি-মুখিতা নিয়ে কোথায় দাড়াচ্ছেন? অনুবাদ সাহিত্য দেখলে তারা নাক কুঁচকান, তবে আপনার নিজস্ব ভাবনা-বেদনা-গবেষণা-সময় পর্যালোচনা লিখে আপনি ঘরের কোন কোণাতে রাখতে চান যা অন্য কেউ নিজের বলে দাবি করতে সক্ষম নয়? আপনার দুঃখবোধ যদি সীমান্ত পেরোতে নাই পারলো, আপনার উচ্চারণ যদি পৃথিবীর শেষপ্রান্তের একজন মানুষের শ্লোগান হয়ে উঠতে না পারলো তাহলে এই কুপমন্ডকতার দায় সাহিত্য কেন নেবে? কেন আশির দশকের পর আমরা আঙুল উঁচু করে কাউকে দেখাতে পারছি না, বলতে পারছি না এই সময়ের মশাল বয়ে নিয়ে যাচ্ছেন অমুক-তমুক কবি? আপনার চোখের জল তখনই পবিত্র হয়ে ওঠে যখন সময়কে অতিক্রম করে আরও কিছু কৌতূহলী চোখকেও ভারি করে তোলে। সাহিত্যকে ‘সাহিত্য’ বলেই যখন চিৎকার করে উঠবে সমগ্র পৃথিবী, এর চেয়ে পবিত্র আনন্দাশ্রু আপনি আর কোথায় পাবেন? স্বপ্নতো মানুষের স্বভাবজাত, একে কাঁটাতারে ঝুলালে দৌড়োবার জন্য ছোট হয়ে আসবে আপনার পরিধি। বরং উড়তে দিন, লিখুন সেভাবেই যেভাবে অন্য হাজারটা কলমও লিখতে চেয়েছিল। লিখুন সেটাই যেটা এখনও লেখা হয়নি।

ইতিহাস বলে পুরনো থেকে উৎসাহী হয়ে নতুনকে গ্রহণ করাই জীবন, তবে অতিউৎসাহীর সারমর্ম সুখকর না হলেও হতে পারে। সাহিত্যের সবচেয়ে শক্তিশালী এই মাধ্যমকে আমরা নতুন কোন উচ্চতায় নিয়ে যাবো আসুন সেটা নিয়ে আরেকবার ভাবা যাক। কাজী নজরুলের মতো ‘সকাল বেলার পাখি’ না হই ময়ুরপুচ্ছ কাক আমরা প্রত্যাশা করি না। মানুষের আত্মাকে ছুঁয়ে দেবার মতো এখনও অনেকেই লিখেন। সেটাকে সামগ্রিক করার প্রয়াস যেন এই সময়টাকে স্বর্ণসময় বলে আখ্যায়িত করে সে চেষ্টা আমরা করতেই পারি।

অনিমা রানী রায়
সহকারী শিক্ষক (বাংলা)
পশ্চিম হেউলিবুনিয়া দাখিল মাদ্রাসা
সাবেক সহকারী শিক্ষক (বাংলা)
বরগুনা কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজ

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।