প্রায় পাঁচ মাস ধরে বেতন তুলছেন তিনি। কর্তব্য রোগীদের সেবা দেওয়া হলেও নিয়মিত অনুপস্থিত থেকেছেন কর্মস্থলে। স্বাস্থ্য অধিদফতরের আদেশকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে এভাবেই দিনের পর দিন দায়িত্বে অবহেলা করে করেছেন বরগুনা বেতাগী উপজেলার বুউপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য সহকারী মিতা।
বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, মিতা বেতাগী উপজেলার বুড়ামজুমদার ইউনিয়নের ২ নং ওয়াডে তার কর্মস্থল। গতবছরের ২১ সেপ্টেম্বর তারিখে যোগদান করার পর থেকেই অফিসের কতিপয় এক কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করেই অফিসে না এসেই প্রতিমাসে বেতন উওোলন করছেন। কোন নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে অফিসিয়াল ছুটি ছাড়াই রয়েছেন অনুপস্থিত। তিনি কর্মস্থলে না থেকে বহাল তবিয়তে সকল সরকারী সুবিধা ভোগ করছেন। মিতার বিষয়ে বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।
মিতার প্রতিবেশীরা জানান, মিতা বেশীর ভাগ সময়ই পাথরঘাটা আদালত প্রাগনে কাটান। নিরীহ মানুষদের মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা তার মুল কাজ।
অন্যদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অফিসের একাধিক সহকর্মী জানান,মিতা দীর্ঘদিন যাবৎ স্যারকে ম্যানেজ করে অনুপস্থিত থেকেছেন। কোন এক শক্তির বলে নিয়মিত বেতনও তুলছেন।
এ বিষয়ে মিতার সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তার কর্মস্থল ও তার বাড়ীতে পাওয়া যায়নি।
সহ স্বাস্থ্য পরিদর্শক স্বপন কুমার সিকদার জানান, মিতা কখনোই কর্মস্থলে আসেনি। তার কাছে জানতে চাইলে তিনি নানা অজুহাত দেখান কিন্তু আমি লোখ মুখে জানতে পাই সে কর্মস্থল ছেড়ে অকারনে আদালতে গোড়াফেড়া করেন। এ বিষয়ে আমি একাদিক বার উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকরতা বরাবর লিখিতো অভিযোগ দিয়েছি কিন্তু এর কোন সুরাহা পাইনি।
এদিকে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকরতা ফাহমিদা লস্কর, ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আমি এসে মিতাকে কর্মস্থলে পাইনি। তবে জেলা সিভিল সার্জন স্যারের মাধ্যমে মিতার বিরুদ্ধে তদন্ত পূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।