ঢাকাশনিবার, ৩রা ডিসেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, সন্ধ্যা ৭:৩৬

বরগুনা জেলা পরিষদ নির্বাচনে আ’লীগ মনোনয়ন প্রত্যাশী অর্ধডজন

নিজস্ব প্রতিবেদক
আগস্ট ২৮, ২০২২ ৯:০১ অপরাহ্ণ
পঠিত: 257 বার
Link Copied!

বরগুনা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হতে আগ্রহী অর্ধডজন আওয়ামী লীগ নেতা। ইতিমধ্যে তারা কেন্দ্রীয় নেতাদের সাথে যোগাযোগ শুরু করেছেন।

সদ্য ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আগামী ১৭ অক্টোবর সারা দেশের ন্যায় বরগুনায় ও জেলা পরিষদের ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হবে। এরই মধ্যে বরগুনা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হতে আগ্রহী ৫ জন প্রার্থী আওয়ামীলীগের কেন্দ্রে যোগাযোগ শুরু করেছেন। তবে অন্য দলের কারো নাম শোনা যাচ্ছেনা এখনো। যদিও জেলা পরিষদে দলীয় মনোনয়ন ঠিক করবেন দলের সভানেত্রী শেখ হাসিনা।

বরগুনায় আগ্রহীদের মধ্যে রয়েছেন বরগুনা জেলা পরিষদের সাবেক প্রশাসক ও বরগুনা জেলা আওয়ামীলীগ সাধারন সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ জাহাঙ্গির কবির, বরগুনা জেলা আওয়ামীলীগ যুগ্ম সাধারন সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মোতালেব মৃর্ধা, সাবেক বরগুনা সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ও বরগুনা জেলা আওয়ামীলীগ যুগ্ম সাধারন সম্পাদক আব্বাস হোসেন মন্টু মোল্লা ও বরগুনা সাবেক পৌর মেয়র এ্যাডভোকেট মোঃ শাহজাহান ও পাথরঘাটা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাডঃ জাবির হোসেন।

দলীয় একটি সুত্র জানিয়েছে, আগামী সংসদ নির্বাচনের আগে যেসকল নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে সেসব নির্বাচনে দলে অনুপ্রবেশকারীদের সরকারের গুরুত্বপুর্ণ আসনে বসানো থেকে বিরত থাকবেন আওয়ামীলীদের সভানেত্রী শেখ হাসিনা। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ১৫ সেপ্টেম্বর, মনোনয়ন বাছাইয়ের তারিখ ১৮ সেপ্টেম্বর, বাছাইয়ের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে ১৯ থেকে ২১ সেপ্টেম্বর, আপিল নিস্পত্তি ২২ থেকে ২৪ সেপ্টম্বর, প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২৫ সেপ্টেম্বর, প্রতীক বরাদ্দ ২৬ সেপ্টেম্বর এবং ১৭ অক্টোবর সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত নির্বাচনের ভোট গ্রহন করা হবে। এ নির্বাচনে রিটার্নিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন জেলা প্রশাসক।

আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারক ফোরামের নেতারা জানিয়েছেন, জেলা পরিষদ নির্বাচনে দলের দুঃসময়ের ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাদের মূল্যায়ন করা হবে। সে অনুযায়ী আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিভিন্ন সংস্থা, নিজস্ব টিম, দলের সাংগঠনিক টিমের মাধ্যমে খোঁজখবর নিচ্ছেন। বিশেষ করে ১৯৭৫-এর পর যাঁরা দুঃসময়ে দলের হাল ধরেছিলেন, এখনো এমপি-মন্ত্রী কিংবা জেলা পরিষদের প্রশাসক এমনকি জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি-সম্পাদকও হতে পারেননি এমন নেতাদের প্রাধান্য দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য জেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোটাররা হলেন জেলার ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান , ভাইস চেয়ারম্যান ও সদস্যবৃন্দ।

 

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।