ঢাকামঙ্গলবার, ৬ই ডিসেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, রাত ৯:১২

বঙ্গবন্ধুর বায়োপিক এ বছরই মুক্তির আশা তথ্যমন্ত্রীর

সৈকত সংবাদ
সেপ্টেম্বর ১২, ২০২২ ৫:৪৫ অপরাহ্ণ
পঠিত: 42 বার
Link Copied!

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী রক্তের অক্ষরে রক্তের বন্ধনে আবদ্ধ। বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে এ বন্ধন আরও দৃঢ় হয়েছে।

তথ্যমন্ত্রী জানান, ‘আমরা অন্যান্য বিষয় নিয়েও আলোচনা করেছি। বাংলাদেশ-ভারত যৌথ উদ্যোগে নির্মিত বঙ্গবন্ধুর বায়োপিকটি প্রধানমন্ত্রী অনুমোদনের পর আমরা আশা করছি এ বছরের মধ্যেই সেটি মুক্তি দেওয়া সম্ভব হবে।’

সোমবার (১২সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রীর দপ্তরে ভারতের বিদায়ী হাইকমিশনার বিক্রম কুমার দোরাইস্বামীর সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তথ্যমন্ত্রী।

হাছান মাহমুদ বলেন, গত সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত সফল একটি ভারত সফর করেছেন। এ সফরে অনেকগুলো অর্জন আছে যেমন, কুশিয়ারা নদীর পানি আমাদের পক্ষে বণ্টন, ভারতের স্থলভাগের ওপর দিয়ে তৃতীয় দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি সুবিধা। যার জন্য আমরা বহুদিন ধরে চেষ্টা করছিলাম, আলাপ আলোচনার মধ্যেই ছিলাম, সেটি এ সফরে সুরাহা হয়েছে, এটি একটি বড় অর্জন।

এই সফর সফল করার ক্ষেত্রে ভারতের হাইকমিশনার দোরাইস্বামীর অনেক বড় ভূমিকা ছিল উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘দোরাইস্বামী অত্যন্ত কর্মদক্ষ হাইকমিশনার তার কর্মকালে ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রীবন্ধন আরও মজবুত হয়েছে। আমি তার উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করি।’

এর আগে ভারতের বিদায়ী হাইকমিশনার সাংবাদিকদের বলেন, ‘বাংলাদেশ ও ভারতের চমৎকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক করোনা মহামারির সময়েও ম্লান হয়নি, বরং তা আরও দৃঢ় হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক ভারত সফরটি ছিল অত্যন্ত ফলপ্রসূ। অনেকগুলো বিষয়ে আলোচনা হয়েছে, সমঝোতা হয়েছে, দুদেশের তথ্য ও সম্প্রচার ক্ষেত্রেও চুক্তি হয়েছে। এই সম্পর্ক দৃঢ় থেকে দৃঢ়তর হবে বলে আমার স্থির বিশ্বাস।’

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।