ঢাকাশনিবার, ১৩ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, রাত ১২:০৬

কৃষি কর্মকর্তাকে চেয়ারম্যানের থাপ্পর

বামনা প্রতিনিধি
এপ্রিল ২৮, ২০২২ ৯:১৫ অপরাহ্ণ
পঠিত: 84 বার
Link Copied!

বরগুনা বামনা উপজেলার রামনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম জমাদ্দার এক কৃষি কর্মকর্তাকে প্রকাশ্যে চর-থাপ্পরসহ লাঞ্চিত করার অভিযোগ উঠেছে।

বুধবার (২৭ এপ্রিল) রাত ৮টায় উপজেলার হাসপাতাল রোডে সাব রেজিষ্ট্রি অফিসের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, বামনা উপজেলার ৪টি ইউনিয়নে প্রান্তিক চাষীদের প্রনোদনা দিতে প্রতিটি ইউনিয়নে ৫’শ জন চাষীদের তালিকা তৈরী করেন কৃষি বিভাগ। রামনা ইউনিয়নের তালিকা প্রনয়ন করে উপকারভোগীদের মালামাল প্রাপ্তির স্লিপ প্রদান করা হয়।

সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা তালিকা প্রণয়ন করা বিধান থাকলেও রামনা ইউনিয়নের দ্বায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা মো. শাহ আলম চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম জমাদ্দারকে নিয়ে সমন্বয় করে তালিকা প্রনয়ন করেন। তালিকায় চেয়ারম্যান নিজের পছন্দের ৪’শত ৪৫জন চাষীদের নাম অন্তর্ভূক্ত করেন। বাকি ১৫জন চাষীর নাম তিনি পরে দেওয়ার কথা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে জানান।

২১ এপ্রিল ওই প্রনোদনার উপকারভোগী চাষীদের তালিকা কৃষি দপ্তরে জমা দেওয়ার শেষ দিন ছিলো। চেয়ারম্যান নজরুর ইসলাম বাকি ১৫ জন চাষীদের তালিকা না জমা দেওয়ায় উপজেলা কৃষি দপ্তর সংশ্লিষ্ট উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তার সমন্বয়ে বাকিদের নাম অন্তর্ভূক্ত করে পূর্নাঙ্গ তালিকা তৈরী করেন। ওই ইউনিয়নে কৃষি প্রনোদনা দিতে সকল চাষিদের মাঝে মালামাল প্রাপ্তির স্লিপ প্রদান করেন কৃষি দপ্তর। এই খবর পেয়ে ক্ষিপ্ত হয় চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম জমাদ্দার।

আরো জানা যায়, বুধবার রাতে বামনা সদরের হাসপাতাল রোডে রেজিষ্ট্রি অফিসের সামনে প্রকাশ্যে ওই ইউনিয়নের দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. শাহ আলমকে মারধর করেন।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী চা দোকান ধার আ. রহমান বলেন, কৃষি কর্মকর্তা দোকেনের সামনে দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলো। এমন সময় চেয়ারম্যা দলবল নিয়ে তাকে ঘিরে ফেলে। চেয়ারম্যানকে বলতে শোনাগেছে তুই মোর দেওয়া নাম কেন তালিকায় রাখোনি না। এই বলে সে এলোপাথারী চড়- থাপ্পর শুরু করেন। আমরা কয়েক জন মিলে কৃষি কর্মকর্তাকে দোকানে এনে বসাই।

বামনা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জয়ন্তী কুমার বলেন, চেয়ারম্যানের দেওয়া ৪’শ ৪৫ নামই তালিকায় অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে। মাত্র ১৫ নাম কেন তিনি দিতে পারেননি এজন্য আমার ওই ইউপির দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে প্রকাশ্যে লাঞ্চিত করেছেন চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম জমাদ্দার। আমরা এ ঘটনা উর্ধতন কর্মকর্তাদের জানিয়েছি। তাদের পরামর্শ নিয়ে আমরা আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করবো।

এবিষয়ে জানতে যোগাযোগ করা হলেও রামনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম জমাদ্দার চেয়ারম্যান কোন মন্তব্য করেননি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিবেক সরকার বলেন, আমি ঘটনাটি শুনেছি উভয় পক্ষের সাথে কথা বলে আমরা এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করবো।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।