ঢাকারবিবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, সন্ধ্যা ৭:৩৬

কাবিখার ২১ মেট্রিকটন গম আত্মসাৎ

আমতলী প্রতিনিধি
মার্চ ৯, ২০২২ ৬:৩৫ অপরাহ্ণ
পঠিত: 82 বার
Link Copied!

কাগজে কলমে কাজ দেখিয়ে মুজিব বর্ষের ঘরের মাটির কাজ না করেই কাবিখার ২১.৮০ মেট্রিকটন গম আত্মসাৎ করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

তৎকালিন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আসাদুজ্জামান ও প্রকল্প সভাপতি গুলিশাখালী ইউনিয়নের সাবেক সংরক্ষিত নারী সদস্য সাবিনা ইসলাম ময়না এ গম আত্মসাৎ করেছেন।

জানাগেছে, ২০২০-২১ অর্থ বছরে গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার (কাবিখা) কর্মসুচীর আওতায় ২০২১ অর্থ বছরে আশ্রায়ন প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ে ভুমিহীন ও গৃহহীন অথ্যাৎ ক শ্রেনীর পরিবার পুর্নবাসনের লক্ষ্যে উপজেলায় প্রাপ্ত ৩৫০ টি গৃহের ভুমি উন্নয়নে মাটির কাজ বাস্তবায়নে ২১.৮০ মেট্রিকটন গম বরাদ্দ দেয়।

ওই গম দিয়ে সাতটি ইউনিয়নে সমুদয় ঘরের মাটির কাজ করার কথা থাকলেও সাবেক উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান শুধুমাত্র গুলিশাখালী ইউনিয়নে বরাদ্দ দেয়।

ইউএনও কাজের প্রকল্প সভাপতি মনোনয়ন করেন গুলিশাখালী ইউনিয়নের সাবেক সংরক্ষিত নারী সদস্য সাবিনা ইসলাম ময়নাকে।

কাজ না করেই কাগজে কলমে কাজ দেখিয়ে ইউএনও ও প্রকল্প সভাপতি এ গম আত্মসাৎ করেন এমন অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।

গম উত্তোলনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার যৌথ স্বাক্ষর থাকার কথা থাকলেও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মফিজুল ইসলাম স্বাক্ষর দেয়নি। তার স্বাক্ষর ছাড়াই উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আসাদুজ্জামান তার একক স্বাক্ষরে প্রকল্প সভাপতি মো. সাবিনা ইসলাম ময়না গত বছর জুন মাসে সমুদয় গম চার কিস্তিতে তুলে নেন। কাজ না করে গম তুলে নেয়ায় এলাকার মানুষের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

সরেজমিনে ঘুরে জানাগেছে, গুলিশাখালী ইউনিয়নে মুজিব বর্ষ উপলক্ষে দেয়া ঘরের মাটির কাজ করা হয়নি। ঘরের মালিকরা নিজস্ব অর্থায়নে মাটির কাজ করেছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ঘর মালিক বলেন, সরকারীভাবে ঘরের মাটির কাজ করা হয়নি। আমরা ঘরের মটির কাজ করেছি।

প্রকল্প সভাপতি গুলিশাখালী ইউনিয়নের সাবেক সংরক্ষিত নারী সদস্য সাবিনা ইসলাম ময়না বলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আসাদুজ্জামানের নির্দেশে প্রকল্পে স্বাক্ষর দিয়েছি।

প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ মফিজুল ইসলাম বলেন, মুজিব বর্ষ উপলক্ষে জেলা প্রশাসকের বরাদ্দকৃত গমের কাজ কোথায় করা হয়েছে তা আমার জানা নেই। আমি ওই গম উত্তোলনে কোন স্বাক্ষর করিনি।

উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা সমির কুমার রায় বলেন, তৎকালিন উপজেলা নির্বাহী অফিসার তার একক স্বাক্ষরে গম ছাড়ের নির্দেশ দিয়েছেন। তাই আমি গম ছাড় দিয়েছি। কাজ করেছে কিনা সেটা আমার জানার বিষয় না।

তৎকালিন আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আসাদুজ্জামানকে মুঠোফোনে এ বিষয় জানতে চাইলে তিনি কোন মন্তব্য না করেই ফোন কেটে দেন।

বরগুনা জেলা প্রশাসক মো. হাবিবুর রহমান বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।